ব্রেকিং নিউজ
সারের ডিলার নিয়োগ ঘিরে ফুলবাড়ীয়ায় উত্তেজনা, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও বিলবোর্ড ভাঙচুর নান্দাইলে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ বাবলু গ্রেফতার নির্দলীয় প্রতীকে হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন; বাড়ল জামানত ও নির্বাচনি ব্যয়সীমা নান্দাইলে JMJ App এর মাধ্যমে ৩ কোটি টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক চক্র থার্মোমিটার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ চিকিৎসক, ‘মন্ত্রীকে ডেকে আনেন’—হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে অপমানের অভিযোগ ধণর্ষকারীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইসলামের
×

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫/৯/২০২৬, ৯:০১:৩২ PM

সারের ডিলার নিয়োগ ঘিরে ফুলবাড়ীয়ায় উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও বিলবোর্ড ভাঙচুর

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:: আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ; এমপির ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ, জামায়াতের সম্পৃক্ততা অস্বীকার । ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সারের ডিলার নিয়োগ ও ফ্যামিলি কার্ডের শুমারির গণনাকারী বাছাইকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:: আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ; এমপির ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ, জামায়াতের সম্পৃক্ততা অস্বীকার । ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সারের ডিলার নিয়োগ ও ফ্যামিলি কার্ডের শুমারির গণনাকারী বাছাইকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহা. কামরুল হাসান মিলনের ছোট ভাই কিরণকে মারধর এবং ২০২৪ চত্বর এলাকায় স্থাপিত এমপির একটি বিলবোর্ড ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদ চত্বর ও উপজেলা মডেল মসজিদ এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারের ডিলার নিয়োগ ও ফ্যামিলি কার্ডের শুমারির গণনাকারী বাছাইয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগের অপসারণ এবং উপজেলা পরিষদ ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেওয়া হয় একটি ফেসবুক আইডি থেকে। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল ১০টার পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে জড়ো হতে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছোট ভাই কিরণের নেতৃত্বে একটি দল যাওয়ার সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ সময় কিরণের সঙ্গে থাকা লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ক্ষুব্ধ বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে বেলা পৌনে ১টার দিকে ২০২৪ চত্বর এলাকায় স্থাপিত স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি বিশালাকার বিলবোর্ড ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতা থেকে উপজেলা পরিষদ ঘেরাও কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ছাইফুল ইসলাম বাদল বলেন, উপজেলা পরিষদ ঘেরাওয়ের ‘চক্রান্ত’ করেছিল জামায়াত-শিবিরের লোকজন। সাধারণ জনগণ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তা প্রতিহত করেছেন। তার দাবি, সারের ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। জামায়াত-শিবিরের যেকোনো ‘অপতৎপরতা’ রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।অন্যদিকে, ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দলটির শূরার সদস্য মো. আব্দুল মজিদ। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ ঘেরাওয়ের কর্মসূচির সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিরণও তাদের দলের কেউ নন। তবে প্রকাশ্যে ঘটে যাওয়া এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে তিনি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে সারের ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, অনিয়মের কারণে ভবিষ্যতে বাজারে সারের সংকট দেখা দিতে পারে। ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।