আজ ০৫ অক্টোবর —বিশ্ব শিক্ষক দিবস।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
আজ ০৫ অক্টোবর —বিশ্ব শিক্ষক দিবস।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
মোহনপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার।সভায় উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, একাডেমিক সুপারভাইজার, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকরা।
আলোচনা সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।তিনি শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আশ্বাস দেন।একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এই আলোচনা সভায় শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব, অধিকার, মর্যাদা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শিক্ষকরা সমাজের আলোকবর্তিকা। তাঁদের হাত ধরেই গড়ে ওঠে আগামী প্রজন্ম।তাই শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়াই বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল প্রত্যাশা।