ব্রেকিং নিউজ
থার্মোমিটার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ চিকিৎসক, ‘মন্ত্রীকে ডেকে আনেন’—হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে অপমানের অভিযোগ ধণর্ষকারীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইসলামের সাঁথিয়ায় মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে ৬ জন গ্রেফতার সাগর রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন নান্দাইলে প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে! প্রবাসী স্বামীসহ গৃহবধূকে হাতেনাতে ধরার অভিযোগ খুলনায় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে দুদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
×

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২/৯/২০২৬, ১১:৩৩:১১ AM

থার্মোমিটার চাওয়ায় ক্ষুব্ধ চিকিৎসক, ‘মন্ত্রীকে ডেকে আনেন’—হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে অপমানের অভিযোগ

হাসপাতালের বিছানায় অসুস্থ শিশুর জ্বর কত—তা জানতে থার্মোমিটার চাওয়াকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিশুটির স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।

হাসপাতালের বিছানায় অসুস্থ শিশুর জ্বর কত—তা জানতে থার্মোমিটার চাওয়াকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিশুটির স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।অভিযোগকারী স্বজনের দাবি, অসুস্থ শিশুকে নিয়ে তিনি হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে যথাযথভাবে পরীক্ষা না করেই ওষুধ লিখে দেন। পরে শিশুটির জ্বর কত ডিগ্রি জানতে থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপার অনুরোধ করেন তিনি।

কিন্তু হাসপাতালে থার্মোমিটার না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। স্বজনের দাবি, এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং একপর্যায়ে ‘জ্বর মাপাতে হলে মন্ত্রীকে ডেকে আনতে হবে’—এমন মন্তব্য করেন।ঘটনার সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের প্রতিটি বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।এদিকে, হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে এর আগেও চিকিৎসক ও জনবল সংকটের খবর প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়।

সম্প্রতি ২৯ আগস্ট ২০২৬ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালটি আকস্মিক পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিদর্শনের সময় রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ শোনার পাশাপাশি ডিউটিতে অনুপস্থিত এক ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয় এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ওঠা এই অভিযোগে প্রশ্ন উঠেছে—একটি জেলা সদর হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর শরীরের তাপমাত্রা মাপার মতো মৌলিক সুবিধা যথাযথভাবে নিশ্চিত আছে কি না এবং রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত।

রোগী ও স্বজনদের প্রত্যাশা, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে যেন কেউ হয়রানি বা অপমানের শিকার না হন। অভিযোগটি সত্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পক্ষ।