ব্রেকিং নিউজ
আলামিন হত্যা মামলায় পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান মুক্তা গ্রেপ্তার শিশুর অধিকার ও নিরাপদ ভবিষ্যতের বার্তা নিয়ে নেত্রকোণায় শিশু দিবস পালিত বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, দুদকে তদন্ত আবেদন নান্দাইলে কম্পিউটার দোকানে ভুয়া এনআইডি তৈরির অভিযোগ, ১৯টি সিলসহ মালিক আটক নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিক্ষক দিবস পালিত রাজশাহীর মোহনপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন, শিক্ষকদের দাবিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
×

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২/৭/২০২৪, ১২:১৯:০৩ PM

টানা ভারী বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সড়ক, সাজেকে আটকা ৭ শতাধিক পর্যটক

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন ৭ শতাধিক পর্যটক।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক কটেজের মালিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা। তিনি জানান, মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেকে ছোটবড় মিলে ১২৫ গাড়ির পর্যটক আটকা পড়ে গেছেন।

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন ৭ শতাধিক পর্যটক।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাজেক কটেজের মালিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা। তিনি জানান, মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেকে ছোটবড় মিলে ১২৫ গাড়ির পর্যটক আটকা পড়ে গেছেন।

আজ আর গাড়ি চলাচল সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি আরও জানান, সোমবার যেসব পর্যটক এসেছে তাদের সবাই সাজেকে অবস্থান করছে। পানি যেভাবে বাড়ছে তাতে আজকে গাড়ি চলাচল করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। অন্যদিকে সকালে খাগড়াছড়ি থেকেও কোনো গাড়ি সাজেকে প্রবেশ করতে পারেনি।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার জানান, বাঘাইছড়িতে টানা ভারীবর্ষণের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে এখানকার প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ৫৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হলেও এখনো কেউ আসেনি। আর বাঘাইহাট সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে ৭ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছে। পানি না সরা পর্যন্ত কেউ বের হতে পারবে না।