ব্রেকিং নিউজ
নেপালে সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা পেলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান দাকোপে জেজেএসের আয়োজনে নিরাপদ পানি সরবরাহ বিষয়ক অ্যাডভোকেসি সভা দাকোপে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও নিরাপদ মাছ উৎপাদন বিষয়ে মতবিনিময় সভা রাজশাহীর তানোরে গরিব অসহায় রশমনি মুর্মুর পরিবারের সাহায্যের আবেদন গরিব অসহায় প্যারালাইসিসে আক্রান্ত পিন্টুর পরিবারের সাহায্যের আবেদন দাকোপে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন
×

মো: এরশাদ আলী-রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান
প্রকাশ : ১৭/৮/২০২৬, ১১:৩৮:১৭ PM

গরিব-অসহায় প্যারালাইসিসে আক্রান্ত পিন্টুর পরিবারের সাহায্যের আবেদন

অতি গরিব, অসহায় ও কঠিন রোগে আক্রান্ত মো. পিন্টু। বয়স তাঁর প্রায় ৫০ বছর। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রায়তান বাজে আচকা (বানিয়াপাড়া) গ্রামে হতদরিদ্র অসুস্থ পিন্টুর বাড়ি। এই বাড়িতে গেলে সত্যিই দেখা যাবে, অসহায় মানুষ কাকে বলে।

অতি গরিব, অসহায় ও কঠিন রোগে আক্রান্ত মো. পিন্টু। বয়স তাঁর প্রায় ৫০ বছর। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রায়তান বাজে আচকা (বানিয়াপাড়া) গ্রামে হতদরিদ্র অসুস্থ পিন্টুর বাড়ি। এই বাড়িতে গেলে সত্যিই দেখা যাবে, অসহায় মানুষ কাকে বলে।এই পরিবারে সদস্য চারজন। অসুস্থ পিন্টুর বৃদ্ধ মা-বাবা এবং তাঁর একমাত্র ছেলে মো. তারেক রহমান। তাঁর বয়স প্রায় ২০ বছর। একদিকে পিন্টু নিজেই কঠিন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত। বর্তমানে তাঁর পুরো শরীর প্যারালাইসিসে আক্রান্ত। কোনোভাবেই পিন্টু নিজে উঠতে-বসতে পারেন না। তাঁকে ধরে সবকিছু করাতে হয়। অসুস্থ পিন্টু শুধু চেয়ে চেয়ে মানুষ দেখেন আর সাহায্যের জন্য মিনতি করতে থাকেন।


অন্যদিকে পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ ও অসহায় মা-বাবা। তাঁদের বয়স প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ বছর। এই অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি পিন্টুর ছেলে মো. তারেক রহমান। বাবার চিকিৎসা ও দাদা-দাদির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে তাঁকে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়েছে। অসহায় পরিবারের জন্য হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেও পরিবারের ন্যূনতম চাহিদা মেটাতে পারছেন না তারেক রহমান।তাঁদের বসবাসের বাড়ির জায়গাটিও অন্যের বলে জানা যায়। আসলে একটি পরিবার কতটা অসহায়ভাবে এবং অতি কষ্টে জীবনযাপন করতে পারে, তার দৃষ্টান্ত এই পরিবারটি। চিকিৎসা করানো তো দূরের কথা, তিনবেলা পেট ভরে খাবারও জোটে না এই অসহায় পরিবারের। ঘরের টিনগুলো ভেঙে চৌচির হয়ে গেছে এবং বসতঘরটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির পানি ও রোদের সঙ্গে যুদ্ধ করেই দিন কাটাতে হয় অসহায় এই পরিবারের সদস্যদের।

এমন কঠিন পরিস্থিতিতে অসুস্থ পিন্টু, তাঁর বৃদ্ধ মা-বাবা ও পরিবারের জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আসুন, মানবিকতার হাত বাড়িয়ে এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াই।